জ্বর সর্দি মাথা ব্যাথা, Fever Is Why Colds Are Headaches

Fever is why colds are headaches

জ্বর সর্দি মাথা ব্যাথা আমাদের সবার হয় – ঋতু পরিবর্তন বা ইনফেকশন অথবা বড় কোন আঘাত পেলে অথবা বৃষ্টিতে একটু বেশি ভিজলেও আমাদের জ্বর হয়। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন এইযে প্রচণ্ড কষ্টদায়ক উষ্ণানুভুতি এটা কেন আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে বা কেন আমাদের জ্বর হয় ?



 আমাদের জ্বর কেন হয় – আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ইমিউন সিস্টেমকে সাহায্য করে জীবাণু থেকে মুক্তি পেতে।শুধুমাত্র ইনফেকশন থেকে মুক্তি পেতেই আমাদের জ্বর হয়না, ঋতু পরিবর্তন হলে, হিট স্ট্রোক হলে অথবা কেউ যদি মদ্যপান ছাড়তে চায় ,তাহলেও তার শরীরের  তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।আমাদের শরীরের কোথাও যদি ইনফেকশন হয় ,

 
 
  • তাহলে সেখান থেকে পাইরোজেন নামক বায়োক্যামিকেল রক্তের সাথে মিশে ,আমাদের মস্তিস্কের হাইপোথ্যালামাসকে জানিয়ে দেয় ,যে আমাদের শরীর ক্ষতিকর জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।

     
  • হাইপোথ্যালামাস যখন এটা বুঝতে পারে ,তখন তা আমদের শরীরকে নির্দেশ করে তাপমাত্রা বাড়িয়ে যত দ্রুত সম্ভব এইসব জীবাণু ধ্বংস করে শরীরকে রক্ষা করতে।

  • বাচ্চাদের অনেক বেশি জ্বর হয় কারন তাদের ইমিউন সিস্টেম অভিজ্ঞ না এবং অতি অল্পতে উদ্দীপ্ত হয়ে পাইরোজেন উৎপন্ন করে।
 

মাথা ব্যথা কেন হয়  ? জ্বর সর্দি মাথা ব্যাথা

জ্বর ,মাথা ব্যথা ও  সর্দি কেন হয় .....
 মাথা ব্যথা 

 

 

 

 
  • জ্বর সর্দি মাথা ব্যাথা আমাদের সকলেরই হয়,
  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী প্রাপ্ত্য বয়স্কদের মধ্যে
  • প্রায় অর্ধেক মানুষ প্রতি বছর কোন না  কোন কারনে মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়।
 
  •  মাথা ব্যথা আমাদের অহরহ হয়, একটু চিমটির মত ব্যথা থেকে শুরু করে পাগল হয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেলার মত ভয়াবহ মাত্রার হতে পারে। 
  • কিন্তু কখনো কি আমরা ভেবে দেখেছি এই মাথা ব্যথা কেন হয় ?
 
  • বিশেষজ্ঞদের মতে মাথা ব্যথা দুই রকমের হয়- প্রাইমারি মাথা ব্যথা এবং সেকেন্ডারি মাথা ব্যথা
  • যখন মাথা ব্যথার পিছনে কোন গভীর শারীরিক সমস্যা না থাকে,
  • তাকে প্রাইমারী মাথা ব্যথা বলে আর সেকেন্ডারি মাথা ব্যথার পিছনে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ,
 
 
  • যেমন – জ্বর, মাথায় আঘাত, টিউমার, দাঁতের সমস্যা অথবা সাইনাসের বিভিন্ন সমস্যা থাকতে পারে।
  • প্রাইমারী মাথা ব্যথার প্রধান কারণগুলির মধ্যে রয়েছে- মাইগ্রেনের সমস্যা, দুশ্চিন্তা এবং ক্লাস্টার।
 
 
  • মাইগ্রেনের মাথা  ব্যথা প্রচণ্ড ভয়াবহ মাত্রার মাথা ব্যথা। মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা হয়
  • যখন আমাদের মস্তিস্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সের বিভিন্ন রক্ত চলাচল কমে যায়। 
 
 
  • মাইগ্রেনের সমস্যায় আক্রান্ত রোগী আলো এবং আওয়াজে অনেক সেন্সিটিভ হন।
  • এছাড়া তারা মাথা ব্যাথা, বমি বমি ভাব এবং মাথার এক পাশে অসহনীয় ব্যথা অনুভব করেন।
 
  • টেনশনের কারণে যে মাথা ব্যথা হয় তা অনেক পুরো মাথা জুড়ে হয়। 
  • এই মাথা ব্যথা হয় যখন মাথার ও ঘাড়ের পেশীগুলোর উপর ইমোশনাল বা অন্যান্য চাপ পরে।
 
 
 
  • ক্লাস্টার মাথা ব্যথা কয়েক সপ্তাহ অথবা মাস পর পর ফিরে ফিরে আসে।
  •  এই মাথা ব্যথা মাথার এক সাইডে অথবা চোখের চারপাশে হয়। 
 
  • এই মাথা ব্যথার কারণ অজানা। কিন্তু শরীরের রক্ত প্রবাহ অথবা মদ্যপান জনিত কারণ এই মাথা ব্যথার কারণ হতে পারে।
 
  • সাধারণত মস্তিস্কে রক্তের অপর্যাপ্ত সরবরাহ মাথা ব্যথার কারণ কিন্তু অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহও মাথা ব্যথার কারণ হতে পারে। 

 
  • অনেক মাথা ব্যথার ঔষধে ক্যাফেইন থাকে যা মস্তিস্কে রক্ত সরবরাহের মাত্রা কমিয়ে দিয়ে মাথা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
 
  • তাই যারা নিয়মিত কফি খায় দেখা যায় তারা হঠাৎ করে  কফি খাওয়া বন্ধ করে দিলে তাদের প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হয়।
  • কারণ হঠাৎ করে তাদের মাথায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহের সৃষ্টি হয়।
 
  • এই গেলো প্রাথমিক বা প্রাইমারী মাথা ব্যথার কারণ
  • আর দ্বিতীয় কারণ  মাথা ব্যথা হয় যখন কেউ কোন অসুখে ,
 
 
  • যেমন টিউমার, ভাইরাস জ্বর, মাথায় তীব্র আঘাত ইত্যাদি অসুখে আক্রান্ত হয় তখন।
  • মাথা ব্যথা স্বাভাবিক ব্যাপার  সাধারণত একটা ভালো ঘুম দিলে অথবা ব্যথার ঔষধ খেলেই মাথা ব্যথা ভালো হয়ে যায়। 
 
  • কিন্তু আপনি যদি কিছুদিন পর পরই মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হন ,
  • তাহলে আপনার উচিত একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। 
  • কারণ রোগ যতই সহজ আর ছোট হোক তাকে দীর্ঘদিন ধরে রাখা বোকামি।

 

 

  • ধুলা-বালি নাকে গেলে, অনেক ঠাণ্ডার সময় অথবা সর্দিজ্বর হলে আমাদের নাক দিয়ে জল পড়ে এবং সর্দিও পড়ে। 
  • অনেকের মনে প্রশ্ন আসে এই জল বা সর্দিগুলি কোথা থেকে আসে, 
 
 
  • আমাদের মিউকাস মেম্ব্রেন যখন কোন জীবাণুর সন্ধান পায় তখন তা ধ্বংস করার জন্য জল এবং মিউকাসের মিশ্রন তৈরি করে যা সর্দি হিসেবে আমাদের নাক দিয়ে পড়ে। 
 
 
  • এছাড়া আমাদের নাক যখন কোন এলার্জেনের সংস্পর্শে আসে তখনও অতিরিক্ত মিউকাস তৈরি করে।
  • তাই আমাদের এলার্জি আছে এমন কিছুর সংস্পর্শে আসলে আমাদের নাক দিয়ে জল পড়ে।
 
  • শীতের ঠাণ্ডা আবহাওয়াতেও আমাদের নাক দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। 
  • এরও খুব সুন্দর একটা ব্যাখা করা যায়। আমাদের ফুসফুসের টিস্যু খুবই সেন্সেটিভ। 
 
 
  • আমরা নাক দিয়ে যখন শ্বাস নেই তখন  নাকের টিস্যু বাতাস টাকে ভিজিয়ে এবং গরম করে ভিতরে ফুস্ফুসে পাঠায়। কিন্তু শীতের  সময় বাইরের বাতাস ঠান্ডা এবং শুষ্ক থাকে যার ফলে,

সর্দি হলে বা ঠাণ্ডায় নাক দিয়ে জল কেন পড়ে 

 
  • আমাদের নাকের টিস্যুগুলি অতিরিক্ত জল উৎপন্ন করে ফলে এক সময় তা জমে নাক দিয়ে বের হয়ে যায়।
  • এছাড়া শীতের সময় বাতাসে শিশির থাকে বা ছোট  ছোট জমাত বাঁধা বাষ্পকনা থাকে যা নাকের ভিতরে গিয়ে গরম হয়ে জল ,
 
 
  • আকারে জমে আবার বের হয়ে আসে। তখন নাক দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে।
  • বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে আমাদের চারপাশ এবং পৃথিবী আমাদের কাছে আরো পরিচিত হচ্ছে। 
 
  • সুস্থ থাকুন ,ভালো থাকুন – অসুখ থেকে দূরে থাকুন –
ভালো লাগলে আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করতে পারেন !

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top